১. প্রাকৃতিক খনিজ উপাদান (Minerals)
প্রাকৃতিকভাবে পানিতে বিভিন্ন ধরনের আয়ন এবং খনিজ পদার্থ মিশে থাকে যা মানবদেহের জন্য প্রয়োজনীয় হতে পারে:
ক্যালসিয়াম ও ম্যাগনেসিয়াম: পানির ক্ষরতা (Hardness) মূলত এই দুটি উপাদানের পরিমাণের ওপর নির্ভর করে।
সোডিয়াম ও পটাশিয়াম: এগুলো মূলত লবণ হিসেবে পানিতে থাকে।
আয়রন বা লোহা: বিশেষ করে ভূগর্ভস্থ পানিতে আয়রনের আধিক্য বেশি দেখা যায়, যা পানিকে লালচে করে ফেলে।
ফ্লুরাইড: এটি দাঁতের এনামেল সুরক্ষায় কাজ করে, তবে এর মাত্রা বেশি হলে স্বাস্থ্যের ক্ষতি হতে পারে।
২. দ্রবীভূত গ্যাস (Dissolved Gases)
পানি যখন বায়ুমণ্ডলের সংস্পর্শে থাকে বা মাটির নিচ দিয়ে প্রবাহিত হয়, তখন এতে কিছু গ্যাস মিশে যায়:
অক্সিজেন (Dissolved Oxygen): জলজ প্রাণীর বেঁচে থাকার জন্য এটি অপরিহার্য।
কার্বন ডাই-অক্সাইড: এটি পানির pH মাত্রা নিয়ন্ত্রণে ভূমিকা রাখে।
নাইট্রোজেন: বায়ুমণ্ডল থেকে সরাসরি পানিতে মিশতে পারে।
৩. জৈব ও অজৈব দূষক (Contaminants)
পানির উৎসের ওপর ভিত্তি করে এতে কিছু ক্ষতিকর উপাদানও থাকতে পারে:
আর্সেনিক: এটি একটি অত্যন্ত বিষাক্ত অজৈব উপাদান, যা বাংলাদেশের অনেক অঞ্চলের ভূগর্ভস্থ পানিতে পাওয়া যায়।
নাইট্রেট ও ফসফেট: মূলত কৃষি জমিতে ব্যবহৃত সার থেকে এগুলো পানিতে মেশে।
ভারী ধাতু: সীসা (Lead), পারদ (Mercury) বা ক্যাডমিয়ামের মতো উপাদান শিল্প কারখানার বর্জ্য থেকে পানিতে আসতে পারে।
৪. অণুজীব (Microorganisms)
অবিশুদ্ধ বা খোলা উৎসের পানিতে বিভিন্ন ধরনের জীবন্ত উপাদান থাকতে পারে:
ব্যাকটেরিয়া: যেমন ই-কোলাই (E. coli)।
ভাইরাস ও প্রোটোজোয়া: যা পানিুবাহিত রোগের প্রধান কারণ।
৫. মোট দ্রবীভূত কঠিন পদার্থ (TDS)
পানিতে দ্রবীভূত এই সমস্ত খনিজ, লবণ এবং ধাতুর সমষ্টিকে একত্রে TDS (Total Dissolved Solids) বলা হয়। একটি নির্দিষ্ট মাত্রা পর্যন্ত TDS থাকা পানির স্বাদের জন্য ভালো, তবে মাত্রাতিরিক্ত TDS পানিকে পানের অযোগ্য করে তোলে।
পানির গুণমান নিশ্চিত করতে সাধারণত pH মান, TDS এবং আয়রনের মাত্রা পরীক্ষা করা সবচেয়ে জরুরি। আপনি যদি নির্দিষ্ট কোনো ব্যবহারের (যেমন পান করা বা শিল্প কারখানায় ব্যবহার) জন্য পানির উপাদান সম্পর্কে জানতে চান, তবে ল্যাবরেটরি টেস্ট করানোই সবচেয়ে ভালো উপায়।
RO Water Purifiers
UV & UF Filters
Household Filters
Kitchen & Tap Filters
Filter Cartridges
Water Pumps & Adapters
Faucets & Fittings